আপনি কোন ধরনের ফরেক্স ট্রেডার?

0
25

Types of Forex Trader- একজন দক্ষ ট্রেডার হতে গেলে আপনাকে সর্বপ্রথম জানতে এবং বুঝতে হবে ফরেক্স ট্রেডারদের প্রধান ধরন কয়টি। আপনি যদি বুঝতে পারেন আপনি কোন ধরনের ট্রেডার তাহলে এটা আপনার ভবিষ্যৎ ট্রেডিং এর জন্য অনেক সহায়ক ভুমিকা রাখবে। কেননা এক এক ধরনের ট্রেডার এর জন্য ট্রেডিং কৌশলও এক এক রকমের হয়ে থাকে। যার কারনে, আপনি যত প্রফিটেবল কৌশলই নির্ধারণ করেন না কেন, ট্রেড করার জন্য সেটি কখনোই প্রফিটেবল হবে না। এর জন্য আপনার নিজে কোন ধরনের ট্রেডিং করতে আগ্রহী সেটি সম্পর্কে জানতে এবং বুঝতে হবে। আজকের আর্টিকেলে, আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের ফরেক্স ট্রেডার নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রয়োজনীয়তাঃ 

একটি প্রশ্ন আপনার মনে আসতে পারে, কেন এটি জানা গুরুত্বপূর্ণ? নতুন অবস্থায় এবং যারা একটুতেই লস করে থাকেন তাদের ৯০ ভাগই বিভিন্ন ট্রেডারএর এনালাইসিস অনুসরন করা শুরু করে দেন। বিষয়টি খারাপ না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আপনি যার ট্রেডিং এনালাইসিস কিংবা সিগন্যাল অনুসরন করে ট্রেড করছেন, তারা কি ধরনের ট্রেড করতে পছন্দ করেন, এটি কি কখনো ভেবে দেখেছেন?

একটি উদাহরন এর মাধ্যমে সহজ করে দিচ্ছি। ধরুন, আপনি ছোট সময়ে বেশী প্রফিট এর জন্য ট্রেড করতে থাকেন। অর্থাৎ ট্রেডের ভাষায় যেটিকে বলা হয় স্কাল্পিং। এখন আপনি একজন অভিজ্ঞ ট্রেডার এর এনালাইসিস অনুসরন করেন যিনি লম্বা সময় ধরে ট্রেড করতে পছন্দ করেন। তাহলে এই ট্রেডার এর প্রকাশিত এনালাইসিস কি আপনার কাজে আসবে কোনও? কোনও কাজেই আসবে না। কেননা, এই ট্রেডার লংটার্ম এনালাইসিস প্রদান করেন এবং এর প্রফিট টার্গেট হিসাবও থাকে অনেক বড়। যেখানে আপনার টার্গেট হচ্ছে, ছোট সময়ের ট্রেড করা।

আপনি কোন ধরনের ফরেক্স ট্রেডার?

ফরেক্স ট্রেডার ৪ ধরনেরঃ

  1. Scalper
  2. Day Trader
  3. Swing Trader
  4. Position Trader

স্কাল্পার (Scalper)

এই ধরনের ট্রেডাররা তাদের ট্রেড খুব অল্প সময়ের জন্য নিয়ে থাকেন। এই ধরনের ট্রেড সর্বনিম্ন কয়েক সেকেন্ড থেকে সর্বোচ্চ কয়েক মিনিটের জন্য হয়ে থাকে। এই সব ট্রেডারদের মূল উদ্দেশ্য থাকে দিনের সবচেয়ে বেশী যে সময়ে মার্কেটে মুভমেন্ট থাকে সে সময়ে অল্প কিছু পিপ্সের প্রফিট নেয়া। তবে এই ধরনের ট্রেডাররা অপেক্ষাখিত বড় লট এর ট্রেড করে থাকেন। যার কারনে, অল্প কিছু প্রাইস মুভমেন্ট থেকেও এরা বেশী পরিমাণ প্রফিট করতে সক্ষম হন। তবে এই ধরনের ট্রেডিং এর জন্য ঝুঁকির পরিমাণও অনেক বেশী থাকে। নিচে কিছু বৈশিষ্ট্য আপনার সামনে উপস্থাপন করছি।

সুবিধা সমুহঃ

  • বড় আকারের লস থেকে এই ট্রেডিং সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। যেমন, আপনার প্রফিট টার্গেট যদি হয় ১০-১৫ পিপ্স তেমন লসও হবে একই রকমের। যার কারনে, এন্ট্রির সময় স্টপলস ব্যবহার করেন ট্রেডাররা। এতে করে মার্কেটে হটাত করে সংঘঠিত কোনও বড় আকারের মুভমেন্ট আপনার জন্য কোনও সমস্যার তৈরি করতে পারবে না।
  • ছোট সময়ের জন্য ট্রেড করা হয়ে থাকে বলে, ওভার-লাইট লস এর কোনও সম্ভাবনা থাকে না।
  • অনেক বেশী এন্ট্রি পাওয়া যায়। যার কারনে, অল্প অল্প করে অনেক বেশী প্রফিট করা সম্ভব।
  • খুব বেশী পরিমাণ ব্যালেন্স এর প্রয়োজন নেই।

অসুবিধাসমুহঃ

  • মার্কেট এনালাইসিস এর জন্য খুব বেশী সময় প্রদান করতে হয়। কেননা, যদি কোনও এন্ট্রি ভুল হয়ে যায় তাহলে লস এর হারও বেড়ে যাবে অনেক।
  • ছোট সময়ের ট্রেড করতে হয় বলে, ট্রেডে বিদ্যমান ঝুঁকির পরিমাণ অনেকবেশী থাকে। কেননা, ছোট সময়ের প্রাইস মুভমেন্ট এর নির্ভরযোগ্যতা অনেক কম থাকে। আপনি হয়ত দেখলেন, প্রাইস ডাউনট্রেন্ড শুরু করেছে অথচ বড়ট্রামফ্রেমে দেখবেন প্রাইস কিছুটা রিট্রেস নিয়েছে মাত্র।
  • স্টপলস অর্ডার ব্যবহার করতে হয় বলে, ব্রোকার অনেক সময়ই এই লেভেলগুলোকে ট্রিগার করাতে সক্ষম হয়। অনেক সময় দেখবেন, প্রাইস আপনার স্টপলস অর্ডার স্পর্শ করেই পুনরায় ট্রেন্ড এর দিকে ফিরে এসেছে। এটি আপনার জন্য এক দিক থেকে লস।
  • স্প্রেড হচ্ছে আরও একটি বড় সমস্যা। কেননা, আপনি একটি এন্ট্রি থেকে যদি ৫ ডলার প্রফিট নেন তাহলে যেই পরিমাণ স্প্রেড দিতে হবে ঠিকই একই রকম করে ৫০০ ডলার প্রফিট এর জন্যও একই পরিমাণ চার্জ করবে ব্রোকার। আর এন্ট্রি বেশী নিতে হয় বলে, ব্রোকার স্প্রেডও চার্জ করতে থাকে বেশী। এদিক থেকে এটি ব্রোকার এর জন্য প্রফিটেবল এক কথায়। তবে আপনি চাইলে “0” স্প্রেড এর ব্রোকারে ট্রেড করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনও স্প্রেড চার্জ হিসাবে প্রদান করতে হবে না।

টাইমফ্রেম নির্বাচনঃ এই ধরনের ট্রেডাররা মুলত ১ মিনিট থেকে ১৫ মিনিট এর টাইমফ্রেম এর চার্টে এন্ট্রি গ্রহন করে থাকেন। সুতরাং, আপনি যদি বড় টাইমফ্রেম যেমন Daily হিসাব করে এন্ট্রি নেন, তাহলেও কখনোই ভালো প্রফিট করতে পারবেন না।

ডে-ট্রেডার (Day Traders)

“দিনের ট্রেডে দিনেই ক্লোজ” এই মূলমন্ত্রে এই ধরনের ট্রেডাররা কাজ করে থাকেন। এই রকমের ট্রেডাররা দিনের শুরুতে মার্কেট প্রাইসের যেকোনো একটি পজিশন গ্রহন করে থাকে। মার্কেট প্রাইসের গতবিধি এবং এর সম্ভাব্য টার্গেট পয়েন্ট বের করে ট্রেড দিয়ে থাকেন এবং সেটি ওই দিনের মধেই ক্লোজ করে থাকেন। এই ধরনের ট্রেডাররা রাতের জন্য ট্রেড ধরে রাখেন না। এখন এন্ট্রিতে প্রফিট হউক কিংবা লস যেটাই হবে সেটাই ক্লোজ করে ফেলবেন। এরা খুব বেশী এন্ট্রি একদিনে গ্রহন করেন না। তবে এদের প্রফিট টার্গেট থাকে স্কাল্পিং এর থেকে বেশী। এভারেজ হিসাবে যদি বলি তাহলে প্রায় ৫০-৬০ পিপ্স একটি এন্ট্রি থেকে। নিচে কিছু বৈশিষ্ট্য আপনার সামনে উপস্থাপন করছি।

সুবিধা সমুহঃ

  • বড় আকারের লস থেকে এই ট্রেডিং সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। যেমন, আপনার প্রফিট টার্গেট যদি হয় ৫০-৬০ পিপ্স তেমন লসও হবে একই রকমের। যার কারনে, এন্ট্রির সময় স্টপলস ব্যবহার করেন ট্রেডাররা। এতে করে মার্কেটে হটাত করে সংঘঠিত কোনও বড় আকারের মুভমেন্ট আপনার জন্য কোনও সমস্যার তৈরি করতে পারবে না।
  • দিনের ট্রেড দিনেই ক্লোজ করা হয়ে থাকে বলে, ওভার-লাইট লস এর কোনও সম্ভাবনা থাকে না।
  • সময় বেশী পাওয়া যায় বলে ভালো করে মার্কেট এনালাইসিস করার সুযোগ পাওয়া যায়। যার ফল হিসাবে ভুল এন্ট্রির পরিমাণ কম থাকে।
  • সারাদিন ট্রেডিং এর জন্য সময় প্রদান করতে হয়না।

অসুবিধাসমুহঃ

  • ব্যালেন্স এর পরিমাণ অপেক্ষাকৃত বেশী প্রয়োজন হয়।
  • প্রাইস এর মুভমেন্ট যদি নিউট্রাল কিংবা সাইডওয়ে ট্রেন্ডে থাকে তাহলে ভালো করে মার্কেট বোঝা যায় না এবং সেটি মুভও ঠিক মতন করে না। ফলে লসেও ক্লোজ করতে হতে পারে।
  • একাধিক এন্ট্রি পাওয়া যায় না। দিনে সর্বাধিক এক থেকে দুইটি এন্ট্রি গ্রহন করার সুযোগ আসে।
  • নিউজ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ডেটা যখন প্রকাশ হয় তখন হটাত করেই প্রাইস এর ট্রেন্ড হয়ে যেতে পারে। যেমন আপনি সারাদিন EUR/USD কারেন্সি পেয়ার এর BUY এন্টিতে প্রফিট দেখলেন কিন্তু রাতে একটি নিউজ এর কারনে সেটিতে লস হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, আপনাকে ঘুমানোর আগে লসেই এন্ট্রি ক্লোজ করে দিতে হবে।
  • ফান্ডমেন্টাল এনালাইসিস এর উপর জ্ঞান থাকতে হবে বেশী সেটা না হলে প্রাইস এর মুভমেন্ট এর কারনে ভয় পেয়ে গেলে এন্ট্রির লস এর রেশিও বেড়ে যাবে।

টাইমফ্রেম নির্বাচনঃ এই ধরনের ট্রেডাররা মুলত ৩০ মিনিট থেকে ৪ ঘণ্টা এর টাইমফ্রেম এর চার্টে এন্ট্রি গ্রহন করে থাকেন। সুতরাং, আপনি যদি বড় টাইমফ্রেম যেমন Daily/Weekly হিসাব করে এন্ট্রি নেন, তাহলেও কখনোই ভালো প্রফিট করতে পারবেন না।

সুইং ট্রেডারস (Swing Traders)

টপ থেকে বোটম লেভেলে এন্ট্রি হচ্ছে এই ট্রেডারদের মুল লক্ষ্য। এই ট্রেডাররা মূলত একটি ট্রেড অনেকদিন পর্যন্ত রেখে দেন। অর্থাৎ, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রাইস এদের টার্গেট মিট না করবে ততদিন পর্যন্ত এন্ট্রি সক্রিয় থাকবে। এখন সেটি সপ্তাহ, মাস কিংবা বছরের জন্যও হতে পারে। এইসব ট্রেডাররা দিনের মধ্যে মার্কেট চার্ট তেমন একটা লক্ষ্য করেন না। এদের প্রফিট টার্গেট থাকে একটি এন্ট্রি থেকে প্রায় ৩০০-৪০০ পিপ্স এর মতন।

সুবিধা সমুহঃ

  • এনালাইসিস এর জন্য সময় দেয়ার প্রয়োজন হয়না। কেননা যদি কোনও এন্ট্রি লসেও চলে আসে তাহলে সেটি পুনরায় এক সময় প্রফিটে রূপান্তরিত হবার সম্ভাবনাও থাকে।
  • লম্বা সময়ের জন্য এন্ট্রি নেয়া হয় বলে, মার্কেট প্রাইস এর গতিবিধি এর উপর ভালো করে লক্ষ্য করা যায়। এবং যদি এন্ট্রি বিপরীতেও যায় তাহলে চিন্তা করার সময়ও পাওয়া যায় অনেক বেশী।
  • স্প্রেড নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই। একটি এন্ট্রি থেকেই যদি ৩০০-৪০০ পিপ্স এর প্রফিট নেয়া যায় তাহলে স্প্রেড নিয়ে চিন্তার কিছুই নেই।
  • সময় বেশী পাওয়া যায় বলে ভালো করে মার্কেট এনালাইসিস করার সুযোগ পাওয়া যায়। যার ফল হিসাবে লস এর পরিমাণ থাকে না।
  • সারাদিন ট্রেডিং এর জন্য সময় প্রদান করতে হয়না।

অসুবিধাসমুহঃ

  • বড় ব্যালেন্স এর প্রয়োজন হয়। একটি এন্ট্রি অনেকদিন রাখতে হয় বলে, ট্রেডিং একাউন্টে পর্যাপ্ত ফান্ড রাখতে হয়। কমপক্ষে, ৩০০-৫০০০ ডলার। (লট এর উপর নির্ভর করবে)
  • প্রফিট এর রেশিও কমে আসে। যেমন ধরুন, আপনি একটি কারেন্সি পেয়ারে এন্ট্রি নিলেন যেটিতে আপনার প্রফিট টার্গেট হচ্ছে প্রায় ৩০০ Pips এর মতন। এখন প্রাইস এন্ট্রির কয়েকদিন পর ১০০০ পয়েন্ট আপ্ট্রেন্ড দিল। আপনি সেটিকে ক্লোজ না করে ধরে রাখলেন এবং টার্গেট লেভেল এর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেলন। প্রাইস পুনরায় দেখা যাবে আপনার এন্ট্রি লেভেল এর কাছে চলে এসেছে অর্থাৎ, আপনার যেই প্রফিট ছিল এতক্ষণ সেটি এখন লস হয়ে গেল।
  • ওভার-নাইট লস এর সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশী। যেমন হয়েছিল ২০১৬ সালের GBP কারেন্সি পেয়ারে Flash Crash । ৫ মিনিট এর একটি ক্যান্ডেলে প্রাইস নেমে এসেছিল প্রাইস 500 pips এর মতন। এই ধরনের লসগুলোর ঝুঁকি থাকে।
  • লম্বা সময়ের জন্য এন্টি গ্রহন করা হয় বলে এদের লস এর রেশিও থাকে অনেক বেশী। সবসময়ই মনে রাখবেন, প্রফিট এর প্রত্যাশা যেমন করবেন, লস এর এমাউন্ট হবে এর সমসাময়িক। যার কারনে, বড় আকারের লস এর জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে।
  • সব ব্রোকার এই ধরনের ট্রেডিং সাপোর্ট করে না। কেননা, আপনি এন্ট্রি একটি নিচ্ছেন এবং সেটিকে মাসের পর মাস লালন-পালন করছেন। এতে ব্রোকারের প্রফিট হচ্ছে না। কেননা ব্রোকার স্প্রেড হিসাবে চার্জ করেছে মাত্র ১ বারই। এই ধরনের ট্রেড করতে হলে ভালো ব্রোকারে করা উচিৎ। যাদের সাপোর্ট, সেবা, এবং সুনাম ভালো এবং সেই সাথে শক্ত রেগুলেশনও রয়েছে। আপনি চাইলে এই ব্রোকারে ট্রেড করে দেখতে পারেন।

টাইমফ্রেম নির্বাচনঃ এই ধরনের ট্রেডাররা মুলত ১ ঘণ্টা থেকে ডেইলি  টাইমফ্রেম এর চার্টে এন্ট্রি গ্রহন করে থাকেন। মাঝে মাঝে Weekly টাইমফ্রেমও এরা এনালাইসিস এর জন্য ব্যবহার করেন।

পজিশন ট্রেডার (Position Traders)

এই ধরনের ট্রেডাররা মূলত একটি ট্রেড কয়েক সপ্তাহ, কয়েক মাস এমনকি বছরের জন্যও রেখে দেন। এই ধরনের ট্রেডাররা সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য দেন ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এর উপর। এটা কোনও বিশেষ ব্যাপার না যে আপনি কোন ধরনের ট্রেডার কিন্তু আপনি যদি বুঝতে পারেন আপনি কোন ধরনের ট্রেডার তাহলে আপনি আরও ভালো ট্রেড করতে পারবেন।

একটা কথা মনে রাখবেন, আপনার ফরেক্স ট্রেড করার ধরনকে সবসময় পরিবর্তন করতে যাবেন না। ধরুন, আপনি যদি প্রথম কয়েক সপ্তাহ স্কাল্পিং করেন এবং যদি বুঝতে পারেন মার্কেট প্রাইসের ফাস্ট মুভমেন্ট আপনার জন্য সমস্যা হচ্ছে তাহলে বুঝবেন স্কাল্পিং আপনার জন্য না। সুতরাং আপনি ট্রেড করার জন্য অন্য ধরন বেছে নিবেন।


আশা করি আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগেছে। এই আর্টিকেল সম্পর্কিত বিশেষ কোনও প্রশ্ন থাকলে আমাদের জানতে পারেন কিংবা নিচে কমেন্ট করতে পারেন। প্রতিদিনের আপডেট ইমেইল এর মাধ্যমে গ্রহনের জন্য, নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করে নিতে পারেন। এছারাও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেইসবুক এবং কমিউনিটি পোর্টালে। সেই সাথে রয়েছে আমাদের ভিডিও ট্রেনিং লাইব্রেরী। এছারাও ট্রেড শিখার জন্য জন্য আমাদের রয়েছে অনলাইন ট্রেনিং পোর্টাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here