শ্রীলঙ্কার মরণ দশা থেকে বাংলাদেশের কী শিক্ষা?

0
99

অর্থনীতিতে শ্রীলঙ্কার মরণ দশা। একসময় সামাজিক সূচকে শ্রীলঙ্কা ছিল এ অঞ্চলের সেরা। শিক্ষায় ছিল সবার তুলনায় এগিয়ে। পোশাক খাত দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম ঢুকেছিল শ্রীলঙ্কাতেই। পর্যটকদেরও পছন্দের জায়গা ছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু গৃহযুদ্ধ শ্রীলঙ্কাকে আর সামনে এগোতে দেয়নি। নিরাপত্তার অভাবে পোশাকশিল্প ’৮০-এর দশকে চলে আসে বাংলাদেশে। কমে যায় পর্যটক। পিছিয়ে পড়ে অর্থনীতি। সেই শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি এখন মরণ দশায়।

সরকারের আয় নেই। অতিমূল্যস্ফীতির দিকে দেশ। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না পণ্য। বিদ্যুৎ-গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত। আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত। দেশটি পড়েছে ঋণের ফাঁদে। নাগরিকেরাও আছে সীমাহীন কষ্টে। রাজাপক্ষ পরিবারের গোষ্ঠীতন্ত্র, খামখেয়ালিপূর্ণ সিদ্ধান্ত, ভুল নীতি, ভুল প্রকল্প বাছাই এবং দুর্নীতির কারণেই শ্রীলঙ্কা আজকের এই অবস্থানে।

শ্রীলঙ্কা আর বাংলাদেশ পরিস্থিতি এক নয়। তবে এখানেও অনেক বড় প্রকল্পের লাভজনকতা নিয়ে আছে প্রশ্ন। বাড়ছে মূল্যস্ফীতির চাপ। প্রবাসী আয়ও কমছে। একদিকে আমদানি ব্যয় যেমন নতুন রেকর্ড ছাড়াচ্ছে, চলতি হিসাবের ঘাটতিতেও তৈরি হচ্ছে নতুন রেকর্ড। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

শ্রীলঙ্কার কেন মরণ দশা

২০০৬ সালে গৃহযুদ্ধের সমাপ্তির পরে শ্রীলঙ্কার মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি ২০১২ সাল পর্যন্ত ঠিকঠাকই ছিল। সে সময় মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৩৬ ডলার থেকে বেড়ে হয় ৩ হাজার ৮১৯ ডলার, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। দেশটি ২০১৯ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশেও পরিণত হয়েছিল। কিন্তু কোনো অর্জনই ধরে রাখতে পারেনি। প্রবৃদ্ধি কমতে থাকলে পরের বছরেই বিশ্বব্যাংক তাদের নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে নামিয়ে দেয়। এরপর রপ্তানি কমে যাওয়ায় চলতি আয়ে দেখা দেয় বড় ভারসাম্যহীনতা। শ্রীলঙ্কার রপ্তানি পণ্য মূলত তিনটি, তৈরি পোশাক, চা ও রাবার। এই তিন পণ্যেই আয় কমছিল, কিন্তু বড় ধস নেমেছে মূলত গত দুই বছরে, অতিমারির সময়ে। সবশেষে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আরও বিপদে পড়ে তারা।

শ্রীলঙ্কার আজকের পতনের জন্য ২০১৯ সালের দুটি ঘটনাকেই মূলত দায়ী করা হয়। ওই বছর কলম্বোয় তিনটি হোটেল ও তিনটি গির্জায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটলে মৃত্যু হয় ২৫৩ জনের। এরপর পর্যটনেও ধস নামে। জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ১০ শতাংশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের ওপর চাপ বাড়ে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে নিজেই। জনপ্রিয় পদক্ষেপ হিসেবে এক ধাক্কায় মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ ধার্য করেন। একই সঙ্গে ২ শতাংশ হারের নেশন উন্নয়ন কর (নেশন বিল্ডিং ট্যাক্স), যত আয় তত কর (পে অ্যাজ ইউ আর্ন—পিএইউই) ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন। এর প্রভাব পড়ে রাজস্ব আয়ে। এক বছরেই দেশটির ভ্যাট আদায় কমে যায় ৫০ শতাংশ।

এরপরেই শুরু কোভিড-১৯–এর সংক্রমণ। পরের দুই বছরে প্রবাসী-আয়, পর্যটন, রপ্তানি—সবকিছুই কমে যায়। কোভিডে বিশ্বের সব দেশের সরকারই খরচ বাড়িয়েছে, অর্থনীতিতে দিতে হয়েছে প্রণোদনা। শ্রীলঙ্কাও বাজেটে ব্যয় বাড়াতে হয়েছে। অথচ আয় কম। ফলে বাজেট ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ১০ শতাংশে। ৫ শতাংশের বেশি হলেই তা বিপৎসংকেত বলে ধরা হয়। এর মধ্যেই ঢুকে পড়ে জৈব বা অর্গানিক সারের পক্ষের (লবিস্ট) গ্রুপ। এই গ্রুপটির পরামর্শে গোতাবায়া রাজাপক্ষে ২০২১ সালের মে মাসে বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের চাপ কমাতে রাসায়নিক সার আমদানি নিষিদ্ধ করেন।

শুরুতে বাহবা পেলেও এর ফল হয় মারাত্মক বিপর্যয়কর। করোনার দুই বছরে বেশির ভাগ দেশ টিকে গেছে কৃষি খাতের কারণে। উৎপাদন ভালো হওয়ায় খাদ্যসংকট হয়নি। ব্যতিক্রম শ্রীলঙ্কা। রাসায়নিক সার ব্যবহার বন্ধের ফলে ফসল উৎপাদন কমে যায়। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে ব্যয় নির্বাহ শুরু করলে বাড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ। শ্রীলঙ্কার মূল্যস্ফীতি এখন সরকারি হিসাবে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ, আর খাদ্যপণ্যে তা ৩০ দশমিক ১ শতাংশ। তবে বেসরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি ৫৫ শতাংশের বেশি। এ অবস্থায় খাদ্য আমদানির প্রয়োজন হয়। দেশটির বাণিজ্য ঘাটতিই এখন ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি।

ঋণের ফাঁদে

শ্রীলঙ্কার ঋণের হার এখন জিডিপির ১১৯ শতাংশ। অর্থাৎ দেশটি সব মিলিয়ে এক বছরে যে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে, তার তুলনায় ঋণ বেশি। শ্রীলঙ্কার ঋণের ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক সার্বভৌম বন্ডে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছে ঋণ ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ, জাপানের কাছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং চীনের কাছে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য বলছে, ঋণের দায় পরিশোধ হিসেবে চলতি বছর শ্রীলঙ্কাকে সব মিলিয়ে ৫০০ কোটি ডলার পরিশোধ দেওয়া কথা। অথচ এখন শ্রীলঙ্কার হাতেই আছে মাত্র ২৩১ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার মজুত। সুতরাং ঋণ পরিশোধ তো দূরের কথা, দৈনন্দিন কাজ চালাতেই নতুন করে আরও ঋণ নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে বৈদেশিক বিনিয়োগও কমেছে গত দুই বছরে।

বলা হয়, চীনের ঋণের ফাঁদে বন্দী শ্রীলঙ্কা। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মত থাকলেও বৃহৎ একাধিক অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য চীন থেকে ঋণ নিয়েই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যেমন, গভীর সমুদ্রবন্দর হাম্বানটোটা নির্মাণের জন্য চীন থেকে ১৫ বছরের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে, ৬ দশমিক ৩ শতাংশ সুদহারে ঋণ নিয়েছিল ৩০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। কিন্তু এই সমুদ্রবন্দর থেকে আয় হয় সামান্য, যা ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ফলে পরিচালনার জন্য চীন থেকে নেওয়া হয় আরও ৭৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার—২ শতাংশ সুদ হারে। তাতেও কাজ হয়নি। পরে চীনের কাছেই বন্দরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছে।

চীনের ঋণে করা আরেক ‘শ্বেতহস্তী’ প্রকল্প হচ্ছে মাত্তালা রাজাপক্ষে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রায় জঙ্গলের মধ্যে করা এই বিমানবন্দরেরও আয় থেকে ব্যয় বেশি। যাত্রী কম, উড়োজাহাজ ওঠানামাও কম। এই বিমানবন্দরকে এখন বলা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে ফাঁকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

বর্তমান সংকটে শ্রীলঙ্কা নতুন করে আড়াই শ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে চীনের কাছে। ১০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে ভারতও। তবে অন্য কোনো দেশ বা সংস্থা শ্রীলঙ্কাকে নতুন ঋণ দেবে, সে সম্ভাবনা খুবই কম। আগের ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না বলে দেশটির ঋণমান কমে গেছে। বাংলাদেশ গত বছর বৈদেশিক মুদ্রার মজুত থেকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছিল। সময়মতো সেই অর্থও পরিশোধ করতে পারেনি তারা।

অবশেষে আইএমএফ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) দক্ষিণ এশিয়ায় ঋণ নিয়ে প্রথম ঢুকেছিল এই শ্রীলঙ্কাতেই—’৭০–এর দশকে। আইএমএফের ঋণের ফল খুব ভালো হয়নি বলে মনে করে শ্রীলঙ্কা। সেই আইএমএফের সঙ্গে আবার শ্রীলঙ্কা ঋণ কর্মসূচিতে যায় ২০১৬ সালে। এ জন্য শর্ত অনুযায়ী কর প্রশাসন ও নীতির সংস্কার করতে হয়েছে, বিনিময়হারকে নমনীয় ও উদার করা হয় বিনিয়োগ নীতিকে। শ্রীলঙ্কার তাতেও খুব ভালো করতে পারেনি। এ সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে, কমেছে কর বা জিডিপি অনুপাত, সরকারের দেনা বেড়েছে ৩০ শতাংশ। সেই ঋণ কর্মসূচির মেয়াদ ছিল ২০১৯ সাল পর্যন্ত। আর সে সময়েই প্রেসিডেন্ট হন গোতাবায়া রাজাপক্ষে। তিনি এসেই ধ্বংসযজ্ঞের বাকি কাজটুকু করেন।

গত জানুয়ারি মাসেও শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অজিত নেভার্দ কেবরাল বলেছিলেন, তারা মোটেই আইএমএফের কাছে যেতে চায় না। সংস্থাটির কাছে সমস্যা সমাধানের কোনো জাদুর কাঠি নেই বলেও মন্তব্য করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঠিকই আইএমএফের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। সংকট এতটাই গভীর যে আনুষ্ঠানিকভাবে আইএমএফের কাছে ঋণ চেয়েছে তারা। অর্থমন্ত্রী বাসিল রাজাপক্ষে ঋণ নিতে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনার জন্য শিগগিরই নিউইয়র্ক যাবেন।

বাংলাদেশ কী শিক্ষা নেবে

ঋণ পরিশোধের দায়ের দিক থেকে বিপজ্জনক অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের ঋণের হার এখন জিডিপির ৩৮ শতাংশ। গত জুন পর্যন্ত হিসাবে বাংলাদেশের মোট দেনার পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৪৪ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা। এর প্রায় ৩৭ শতাংশ এসেছে বিদেশি উৎস থেকে, পরিমাণ ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা। বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের হার জিডিপির ১৩ শতাংশ। সুতরাং আপাতত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। কেননা, আইএমএফের হিসাবে এই হার ৫৫ শতাংশের বেশি হলেই বিপদ। তবে শ্রীলঙ্কার উদাহরণ থেকে এখন থেকেই কয়েকটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সতর্ক হতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রথমত, বড় প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ছে, যার প্রায় সব কটিই অবকাঠামো প্রকল্প। এসব ঋণের মধ্যে সরবরাহ ঋণও (সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট) আছে। এর সুদহার বেশি, ঋণ সরবরাহকারীরাই প্রকল্প তৈরি করে দিচ্ছে। এ ধরনের ঋণে বাস্তবায়িত প্রকল্পের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকে, অর্থ খরচের জবাবদিহি কম এবং সময়মতো প্রকল্পের কাজও শেষ হয় না।

দ্বিতীয়ত, বর্তমানে ১০টি বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর একটির কাজও সময়মতো শেষ হয়নি। সময় বেড়েছে, ব্যয়ও বেড়েছে। এতে এর অর্থনৈতিক মূল্যও কমে যাচ্ছে। ফলে সব কটি প্রকল্প থেকে বিনিয়োগ কতটা সময়ে ফেরত আসবে, সেটিও এখন বড় প্রশ্ন।

তৃতীয়ত, বড় প্রকল্পের কারণে এখন বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের দায় বাড়ছে আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্র বলছে, ২০০৯-১০ অর্থবছরেও বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হয়েছিল ৮৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯১ কোটি ডলার। সূত্রগুলো জানাচ্ছে, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বড় প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলেই এই ঋণ পরিশোধের দায় অনেক বেড়ে যাবে। ফলে চাপ তৈরি হবে।

চতুর্থত, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হয়ে গেলে কম সুদে আর ঋণ পাবে না বাংলাদেশ। মিলবে না বাণিজ্যে বিশেষ অগ্রাধিকার সুবিধা। নিতে হবে বেশি সুদের ঋণ। এতে দায় পরিশোধও বাড়বে। ফলে এখন থেকেই ঋণের দায় নিয়ে সতর্ক হতে হবে।

অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে দেশে কেবল বাণিজ্য ঘাটতিই হয়ে আছে ১ হাজার ৫৬২ কোটি ডলার। আবার আগের অর্থবছরেও যেখানে চলতি হিসাবের ভারসাম্য ছিল বাংলাদেশের অনুকূলে, এবার তা ঋণাত্মক। অন্যদিকে আগের অর্থবছরেও প্রথম সাত মাসে প্রবাসী আয়ে ছিল বড় প্রবৃদ্ধি, এবার সেটিও ঋণাত্মক।

বাংলাদেশেও এখন বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেশি। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে। আমদানি ব্যয় আরও বাড়লে রিজার্ভেও টান পড়বে। এতে রিজার্ভের অর্থ অবকাঠামো প্রকল্পে খরচ করার সুযোগ কমে আসবে। সব মিলিয়ে অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে। এ কারণে বড় প্রকল্পে অর্থ ব্যয়, দায় পরিশোধ ও সামষ্টিক অর্থনীতির সূচক নিয়ে সতর্ক থাকার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সতর্কতা ছিল না বলেই সীমাহীন বিপদে পড়েছে শ্রীলঙ্কা।

(সূত্র: এএফপি, রয়টার্স, টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সের অর্থনীতির অধ্যাপক এম রামা কুমারের টুইট, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়।)

ট্রেডার বাংলাদেশ, ০৪ এপ্রিল, ২০২২

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here