৩ হাজার কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা কৃষকদের জন্য

0
91

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় কৃষিখাতের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ তহবিল থেকে সহজ শর্তে ৪ শতাংশ সুদহারে ঋণ নিতে পারবেন কৃষক।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ স্কিম গঠন ও পরিচালনার নীতিমালাবিষয়ক নির্দেশনা দিয়ে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের বরাবর পাঠিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় দেশের কৃষিখাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কৃষি কর্মকাণ্ড অধিকতর গতিশীল করার লক্ষ্যে কৃষির বিভিন্ন খাতসমূহে স্বল্পসুদে প্রয়োজনীয় ঋণ প্রবাহ নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে ইতোপূর্বে গৃহীত বিভিন্ন প্রণোদনামূলক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় কৃষিখাতের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে গঠিত এ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের নাম কৃষিখাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম (দ্বিতীয় পর্যায়)। স্কিমের আওতায় তহবিলের পরিমাণ তিন হাজার কোটি টাকা। যার মেয়াদ হবে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

কারা পাবেন এই ঋণঃ-

নতুন এই স্কিমের আওতায় অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। আগের ঋণ নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক নিজ ব্যাংক হতে প্রদত্ত বিদ্যমান ঋণ সুবিধার অতিরিক্ত ২০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ (সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা) এ স্কিমের আওতায় বিতরণ করতে পারবে।

নতুন কৃষকের জন্য ঋণের সর্বোচ্চ পরিমাণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে বিতরণ করতে পারবে। ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিদের শস্য/ফসল চাষের জন্য এককভাবে জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করা যাবে।

গৃহস্থালি পর্যায়ে গাভী পালন, গরু মোটাতাজাকরণ খাতে ব্যক্তিগত গ্যারান্টির বিপরীতে ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। শস্য ও ফসল ঋণ ব্যতীত অন্যান্য খাতের ঋণগুলোর ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম জামানত/সহায়ক জামানত গ্রহণের বিষয়ে ব্যাংক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে। এ স্কিমের আওতায় গৃহীত ঋণ কোনোভাবেই গ্রাহকের পুরনো ঋণ সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। ঋণ খেলাপি হলে ঋণ প্রাপ্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here