বিটকয়েন মাইনিং কি, বিটকয়েন মাইনিং কিভাবে শুরু করা যায়?

0
63

মাইনিং হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি সৃষ্টি করা যায়। বিটকয়েন মাইনিং হল বিটকয়েন সৃষ্টি করা। বিটকয়েন এর সর্বোচ্চ সরবরাহ স্থির, শুধুমাত্র ২১ মিলিয়ন বা ২ কোটি ১০ লাখ। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ রয়েছে ১৮৬৯৮৩৫০ (যখন লিখছি) যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বৃদ্ধির আবার নির্দিষ্ট হার রয়েছে যা প্রতি চার বছর অন্তর বা প্রতি ২১০০০০ ব্লক পর অর্ধেক হয়ে থাকে। বর্তমানে প্রতিটি ব্লকে ৬.২৫ বিটকয়েন পাওয়া যায় যা ২০২৪ সালে অর্ধেক হয়ে ৩.১২৫ বিটকয়েনে নেমে আসবে। এইটাকে বলা হয় ব্লক রিওয়ার্ড বা মাইনিং রিওয়ার্ড। আর যারা মাইনিং করে তাদের বলা হয় মাইনার।

মাইনিং কি


এই গাইডলাইনটি বিটকয়েন মাইনিং কি এর আলোকে লেখা। অন্যান্য কয়েনের ক্ষেত্রে অনেকাংশ অমিল থাকতে পারে। আর্টিকেল এর শেষে আমরা দুজন মাইনার এর সাক্ষাতকার প্রকাশ করেছি, আপনারা যদি বিটকয়েন মাইনিং করতে চান, তাহলে উক্ত সাক্ষাতকার থেকে প্র্যাক্টিক্যালি অনেক কিছুই জানতে পারবেন।

বিটকয়েন সৃষ্টি করার জন্য মাইনারদের কিছু কাজ করতে হয়। যদি তারা নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে পারে তবেই তারা ব্লক রিওয়ার্ড পেয়ে থাকে। যদি সহজ ভাষায় বলি, মাইনাররা হল বিটকয়েন নেটওয়ার্কের প্রাণ। আমরা যেসব লেনদেন করে থাকি বিটকয়েনে, সেসব লেনদেনের হিসেব ব্লকচেইনে লেজার আকারে সংরক্ষণ করা থাকে। আপনি যখন আপনার এড্রেস এ থাকা ১ বিটিসি থেকে আপনার বন্ধুর এড্রেসে ০.৫০ বিটকয়েন পাঠাবেন তখন আপনার এড্রেসে থাকবে ০.৫ বিটকয়েন আর আপনার বন্ধুর এড্রেসে বেড়ে যাবে ০.৫ বিটকয়েন।

মাইনারের কাজ হল এইরকম তথ্যগুলো হালনাগাদ করা এবং লেনদেন এর সত্যতা যাচাই করা এবং লেনদেন এর তথ্যগুলো একটা ব্লকে জুড়ে দেয়া। তবে, সবচেয়ে জটিল ব্যাপার হল একটা গানিতিক সমস্যার সমাধান করা। আমরা অনেকেই বিটকয়েন মাইনিং নিয়ে পড়লে একটা টার্ম পেয়ে থাকি, সেটা হল ম্যাথম্যাটিক্যাল পাজল (Mathematical Puzzle)। সাধারনত, আমরা বীজগনিতে বোঝার জন্য বীজগনিত বলেছি।

মাইনিং হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি সৃষ্টি করা যায়। বিটকয়েন মাইনিং হল বিটকয়েন সৃষ্টি করা। বিটকয়েন এর সর্বোচ্চ সরবরাহ স্থির, শুধুমাত্র ২১ মিলিয়ন বা ২ কোটি ১০ লাখ। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ রয়েছে ১৮৬৯৮৩৫০ (যখন লিখছি) যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বৃদ্ধির আবার নির্দিষ্ট হার রয়েছে যা প্রতি চার বছর অন্তর বা প্রতি ২১০০০০ ব্লক পর অর্ধেক হয়ে থাকে। বর্তমানে প্রতিটি ব্লকে ৬.২৫ বিটকয়েন পাওয়া যায় যা ২০২৪ সালে অর্ধেক হয়ে ৩.১২৫ বিটকয়েনে নেমে আসবে। এইটাকে বলা হয় ব্লক রিওয়ার্ড বা মাইনিং রিওয়ার্ড। আর যারা মাইনিং করে তাদের বলা হয় মাইনার।

মাইনিং কি


এই গাইডলাইনটি বিটকয়েন মাইনিং কি এর আলোকে লেখা। অন্যান্য কয়েনের ক্ষেত্রে অনেকাংশ অমিল থাকতে পারে। আর্টিকেল এর শেষে আমরা দুজন মাইনার এর সাক্ষাতকার প্রকাশ করেছি, আপনারা যদি বিটকয়েন মাইনিং করতে চান, তাহলে উক্ত সাক্ষাতকার থেকে প্র্যাক্টিক্যালি অনেক কিছুই জানতে পারবেন।

বিটকয়েন সৃষ্টি করার জন্য মাইনারদের কিছু কাজ করতে হয়। যদি তারা নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে পারে তবেই তারা ব্লক রিওয়ার্ড পেয়ে থাকে। যদি সহজ ভাষায় বলি, মাইনাররা হল বিটকয়েন নেটওয়ার্কের প্রাণ। আমরা যেসব লেনদেন করে থাকি বিটকয়েনে, সেসব লেনদেনের হিসেব ব্লকচেইনে লেজার আকারে সংরক্ষণ করা থাকে। আপনি যখন আপনার এড্রেস এ থাকা ১ বিটিসি থেকে আপনার বন্ধুর এড্রেসে ০.৫০ বিটকয়েন পাঠাবেন তখন আপনার এড্রেসে থাকবে ০.৫ বিটকয়েন আর আপনার বন্ধুর এড্রেসে বেড়ে যাবে ০.৫ বিটকয়েন।

মাইনারের কাজ হল এইরকম তথ্যগুলো হালনাগাদ করা এবং লেনদেন এর সত্যতা যাচাই করা এবং লেনদেন এর তথ্যগুলো একটা ব্লকে জুড়ে দেয়া। তবে, সবচেয়ে জটিল ব্যাপার হল একটা গানিতিক সমস্যার সমাধান করা। আমরা অনেকেই বিটকয়েন মাইনিং নিয়ে পড়লে একটা টার্ম পেয়ে থাকি, সেটা হল ম্যাথম্যাটিক্যাল পাজল (Mathematical Puzzle)। সাধারনত, আমরা বীজগনিতে বোঝার জন্য বীজগনিত বলেছি।

সমাধান এর যে অংক করে থাকি সেখানে আমাদের প্রশ্ন দেয়া থাকে, সেটা থেকে আমরা উত্তর খুজে বের করি। কিন্ত, এইখানে উত্তর দেয়া থাকে যেটা থেকে আপনাকে প্রশ্ন খুজে বের করতে হবে। আপনাকে এমন একটা ইনপুট (হ্যাশ) বের করতে হবে যার সমাধান হবে ১ অথবা ০। আপনি যখন উক্ত ইনপুট খুজে পাবেন কেবল তখনই আপনি পরবর্তী ব্লক খুজে পাবেন এবং মাইনিং রিওয়ার্ড পাবেন। আর সেই গানিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই একসাথে চেষ্টা করে থাকে। যার হ্যাশ পাওয়ার যত বেশি, সে সবার আগে সমস্যা সমাধান করতে পারবে। হ্যাশ পাওয়ার হল আপনি যে ডিভাইস দিয়ে মাইনিং করছেন সেটা কতটুকু কার্যক্ষম।

পুর্বে বিটকয়েন এর শুরুতে খুব অল্প মানুষ মাইনিং করত বলে সিপিইউ দিয়ে এবং পরবর্তীতে জিপিইউ দিয়ে এই কাজ সম্পাদন করা যেত কিন্তু বর্তমানে মাইনিং অনেক প্রতিযোগীতামুলক হওয়ার কারনে সিপিইউ/জিপিইউ (লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম) দিয়ে বিটকয়েন মাইনিং হয় না। বর্তমানে এসিক (ASIC) মাইনার ব্যবহৃত হয় যা বিটকয়েন মাইনিং এর জন্য বিশেষ ভাবে তৈরী করা হয়েছে।
মাইনাররা ব্লক রিওয়ার্ডের পাশাপাশি ট্রাঞ্জেকশন ফি ও পেয়ে থাকেন। প্রতিটা ট্রাঞ্জেকশন করতে ফি দেয়া লাগে এবং একটি ব্লকে অনেকগুলো ট্রাঞ্জেকশন রেকর্ড করা যায়। সবগুলো ট্রাঞ্জেকশনে যত ফি দেয়া হয়, এর সবই যে মাইনার উক্ত ব্লকটি মাইন করে থাকে , সেই পায়।

বিটকয়েন মাইনিং করতে কি কি লাগবে?

আগেই বলেছি বর্তমানে বিটকয়েন মাইনিং সিপিইউ/জিপিইউ দিয়ে সম্ভব নয়। বিটকয়েন মাইন করতে হলে আপনাকে অবশ্যই এসিক মাইনারে বিনিয়োগ করতে হবে। মাইনিং এর জন্য যা যা লাগবে-
১। এসিক মাইনার
২। ইন্টারনেট কানেকশন
৩। বিদ্যুৎ

মাইনার এর ক্ষেত্রে দাম ও কার্যক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের মাইনার হয়ে থাকে। যে মাইনার যত বেশি হ্যাশরেট উৎপন্ন করতে পারে সেটা দিয়ে মাইনিং এ লাভ বেশি। কারন, আপনার মাইনার যত বেশি কার্যক্ষম হবে, তত দ্রুত ম্যাথম্যাটিক্যাল পাজল এর সমাধান করতে পারবে। আর যে আগে সমাধান করতে পারবে, পরবর্তী ব্লক সেই খুজে পাবে। এইটা সহজ ভাষায় বুঝার জন্য বললাম তবে, একটা মাইনার দিয়ে আপনি একটা ব্লক খুজে পাওয়ার কাজ করতে পারবেন না কারন একটা ব্লক খোজার কাজ পৃথিবীতে একসাথে অনেক মানুষ করছে। তাহলে কিভাবে একটি এসিক মাইনার দিয়ে আপনি মাইনিং করবেন? নিশ্চয়ই চেষ্টা করছেন এর উত্তর খুজে বের করার?

Read More–ডজকয়েন (DOGE)- নতুনদের জন্য গাইডলাইন

বিটকয়েন মাইনিং এর ধরন

মাইনিং সাধারনত দুই ধরনের বলা চলে। সলো (solo) এবং পুল মাইনিং।
সলো মাইনিং হল একজন ব্যক্তি তার যতগুলো মাইনার আছে তা দিয়ে একা মাইনিং করা। মানে, আপনার যা হ্যাশ পাওয়ার আছে তা দিয়ে আপনি ব্লক খোজার কাজ করছেন।
পক্ষান্তরে, পুল মাইনিং হল একাধিক ব্যক্তি তাদের সম্মিলিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একসাথে ব্লক খোজার কাজ করা। সুতরাং যারা একটি মাইনার দিয়ে মাইনিং করবেন, তাদের জন্য রয়েছে পুল মাইনিং এর ব্যবস্থা। অনেকগুলো পুল আছে যেখানে আপনি আপনার হ্যাশরেট অন্যদের সাথে একত্রিত করে মাইনিং এর কাজ করতে পারেন। রিওয়ার্ডগুলো পরে একসাথে ভাগ করে দেয়া হয়।
সলো মাইনিং করে আপনি অল্প ডিভাইস দিয়ে কিছুই করতে পারবেন না কারণ মাইনিং ডিফিকাল্টি অনেক বেশি। তাই পুল মাইনিং এ জয়েন হয়ে সবার ডিভাইস একসাথ করে মাইনিং করাই বুদ্ধিমানের কাজ যদি না আপনার অনেক বড় বিনিয়োগ করার ইচ্ছে থাকে।

কিছু প্রয়োজনীয় লিংক

মাইনার- Bitmain , Microbt , Canaan
বিটকয়েন মাইনিং পুল- Antpool F2pool , Poolin , Viabtc.com , Slushpool ,
বিটকয়েন নেটওয়ার্ক হ্যাশরেট- Miningpoolstats
বিটকয়েন প্রফিট ক্যাল্কুলেটর- Whattomine
ইথেরিয়াম মাইনিং পুল- Ethermine.org , Sparkpool.com , F2pool Hiveon.net , 2miners.com ,
ইথেরিয়াম নেটওয়ার্ক হ্যাশরেট- Miningpoolstats
ইথেরিয়াম প্রফিট ক্যাল্কুলেটর- Whattomine

সাক্ষাতকার

আমরা কথা বলেছি দুইজন মাইনার এর সাথে যাদের প্রচেষ্টায় আমাদের এই আর্টিকেল সম্পুর্ন হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ তাদের। তাদের অনুরোধেই তাদের প্রকৃত নাম উল্লেখ না করে আমি শুধুমাত্র Mr x এবং Mr y দিয়ে তাদের সাথে সাক্ষাতকার প্রকাশ করছি।

১. কিভাবে আপনি বিটকয়েন এর সাথে জড়িত হলেন?
Mr x: আমার একজন ইন্দোনেশিয়ান ফ্রেন্ড এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম এর ব্যাপারে জানতে পারি। তখন আমি টুকটাক ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতাম ওডেস্ক ও ফ্রিল্যান্সার এ। যাই হোক, সে আমাকে বলল যে আমি বিটকয়েন নিয়ে কাজ করব কিনা। তখন আমি ইন্টারেস্টেড হই। এরপর সে আমাকে একটি গ্রুপে এড করে কিন্তু সমস্যা হল গিয়ে আমি তাদের কোন কথাই বুঝতে পারতাম না। যাইহোক, আমি গুগল ট্রান্সলেট ইউজ করতাম তাদের কথা বোঝার জন্য ও কোন কিছু বলতে চাইলেও আমাকে গুগল ট্রান্সলেট ইউজ করতে হতো। সেই থেকেই থেকে শুরু, আর সেখান থেকেই আমি প্রথম ব্লকচেইন টেকনোলজির জগতে পা দেই :blush:
Mr y: বিটকয়েন এর সাথে পরিচয় ২০১২ সালে । তখন ক্যাপচা বা বিভিন্ন পিটিসি সাইট থেকে আর্ন করার চেষ্টা করেছিলাম। তা ১ মাসের বেশি সময় আর কাজ করিনি।


২. কত বছর ধরে মাইনিং করছেন এবং মাইনিং করতে কিভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন?
Mr x: মাইনিং এর জগতে আমি প্রথম পা দেই ২০১৫ তে। প্রাথমিক অবস্থায় আমি দুটো সাধারণ মাইনার কিনি scrypt based ( FOR LTC MINING)। কারন তখন আমার সামর্থ্য কিছুটা কম ছিল, আর মজার ব্যাপার হচ্ছে যে মাইনার দুটো সম্পূর্ণ আমার বিটকয়েন থেকেই উপার্জন করে কেনা :blush: কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হচ্ছে মাইনার দুটো সেটাপ করতে গিয়ে আমাকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কারণ কিভাবে একটা মাইনার সেটআপ দিতে হয় তা আমার জানা ছিল না, শেষমেষ অনেক কষ্ট করে মাইনার দুটো সেটাপ করতে পেরেছিলাম।
Mr y: মাইনিং শুরু ২১ মে ২০১৬ সে হিসেবে চার বছর ১১ মাস ৯ দিন । শুরু টা হয় ক্রিপ্টো নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে করতেই। ক্রিপ্টোর ডিসেন্ট্রালাইজেসশন টা আমার থেকে পছন্দ হয় । আর এর ডি-সেন্ট্রালাইজেশন এর জন্য মাইনার দের যে সিকুরিটি মানি স্পেন্ড করে তা আমার কাছে আর্নিং এর একটা সোর্স বলে মনে হয় সেখান থেকেই মাইনিং শুরু।


৩. বর্তমানে আপনি কি ডিভাইস ব্যবহার করে মাইনিং করছেন?
Mr x: বর্তমানে আমার চারটি এডভান্স মাইনার আছে। দুটো Antminer S19j(দুটো মাইনারই bitmain থেকে কেনা) china, একটি Whatminer M37 (blockforge) china, একটি scrypt based Miner Innosilicon A6+ LTC Master
Mr y: বর্তমানে আমি যেসব ডিভাইস ব্যবহার করে মাইনিং করছি তার লিস্ট-
{১। জিপিউ /(Ethash (ETH)) & {(KawPow (RVN coin))}
{২।এসিক / sha 256 (BTC) & Scrypt (LTC)}
{৩। ডি সেন্ট্রালাইজড Storage ( File coin & Chia)}
{৪। ডি সেন্ট্রালাইজড Wifi nerwork (Helium)}

৪. কিভাবে আপনি মাইনারটি (ডিভাইস) বাংলাদেশে এনেছেন, কখনো কি কোন আইনের জটিলতার সম্মুখীন হয়েছেন? জটিলতা এড়াতে কি ধরনের নিঞ্জা টেকনিক অনুসরণ করেছেন?
Mr x: প্রাথমিক অবস্থায় এয়ার এ আনতে পেরেছিলাম। পরবর্তীতে চায়না থেকে শিপমেন্টের মাধ্যমে কন্টেনারে করে আনিয়েছি। ২০১৭ তে কাস্টমস দ্বারা আমার দুইটা Antminer S7 বাজেয়াপ্ত হয়। এ ক্ষেত্রে আমি কোনো আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে চাইনি তাই আমাকে দুইটা মাইনারের ই ক্ষতি স্বীকার করতে হয়। আর আমার মতে এসকল ব্যাপারে আইনি জটিলতাতে না জড়ানোই ভালো। কেউ যদি জটিলতা এড়াতে চায় তাহলে মাইনারের পার্টস কিনে নেবেন তাহলে কোন সমস্যা হবে না।
Mr y: আমি নিজে কোন মাইনিং হার্ডওয়্যার দেশে আনিনি। জিপিউ ছাড়া দেশে আমার কোন ডিভাইস নেই।
আমার এসিক আছে সেগুলো রাশিয়ায় ফার্ম স্পেস রেন্ট নিয়ে চালাই।তবে বাংলাদেশে কিছু এসিক ইম্পোর্টার আছে তারা ভাল জানবে কিভাবে আনে। জিপিউ দেশের লোকাল কমিউটার শপ থেকেই নেয়া।

৫. আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসের জন্য বিদ্যুৎ খরচ কেমন হয়? যেহেতু বিদ্যুৎ এর ব্যবহার আবাসিকের চেয়ে তুলনামুলক বেশি হয়, সেটা নিয়ে কি কোন ঝামেলার সম্মুখীন হয়েছেন?
Mr x: একটা মাইনরের জন্য দুটো ফ্রিজ চালানোর (non stop) সমপরিমাণ বিল দেয়া লাগে। এই ব্যাপারে আমি ‌তেমন উল্লেখযোগ্য কোন সমস্যার সম্মুখীন হইনি কারণ আমি একাধিক মিটার ব্যবহার করি। আমার Bitmain এর Antminer গুলো অটোমেটিক কাজ করতে সক্ষম, এজন্য বিদ্যুৎ চলে গেলেও পরবর্তীতে আবার বিদ্যুৎ আসলে এটা অটোমেটিক রান হয়ে যায় নতুন করে আর কিছু করতে হয় না।
Mr y: আবাসিকেই আছি । বিদ্যুৎ এর জন্য আমি পুরো একটি বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে সবগুলো মিটার ব্যাবহার করছি ৩৫% ডিভাইস এর জন্য। আর ৬৫% ডিভাইস বাংলাদেশের বিভিন্ন যায়গায় ছড়ানো ছিটানো। জিপিউর টোটাল পাওয়ার কন্সাম্পশন ৩০০০০+ ওয়াট।

৬. আপনার মাইনার কতটুকু কার্যক্ষম?
Mr x: Bitmain এর Antminer S19j গুলো প্রত্যেকটা 89+ TH/s, টোটাল -178+ TH/s
আর Whatminer M37 গুলো 68+ Th/s
মাইনিং পাওয়ার দিতে সক্ষম (total 246+ TH/s Sha based mining power)
Innosilicon A6+ LTC Master 2+ GH/s Power দেয়
Mr y: আমার টোটাল Ethash হ্যাশরেট ৮৬০০ MH/s+

৭. জিপিউ দিয়ে কখনো মাইনিং করেছিলেন কি? বর্তমানে জিপিউ দিয়ে মাইনিং করা কতটুকু যৌক্তিক এবং কেমন লাভজনক?
Mr x
: আমার পার্সোনাল গেমিং pc দিয়ে কিছুদিন CPU/GPU দুটো সিস্টেম ব্যবহার করে ডজকয়েন (DOGECOIN) মাইনিং করার চেষ্টা করেছিলাম এবং সফল ও হয়েছিলাম। জিপিইউ মাইনিং লাভজনক হতে পারে যদি আপনার GPU এর জন্য যদি আপনি সঠিক ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং করেন। একটি ভালো মাইনিং পুলে সেটা রান করান , ভালো মাইনিং সফটওয়্যার ইউজ করেন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক ভাবে আপনি আপনার মাইনিং হার্ডওয়্যারটি কনফিগার করতে পারেন।
Mr y: জিপিউ দিয়ে মাইনিং করাই যৌক্তিক। কারন POW (proof of work)কয়েন এর কন্সেপ্ট টাই হচ্ছে ডি সেন্ট্রালাইজড করা কারেস্নি গুলো। এসিক ডি সেন্ট্রালাইজড কে রোধ করে যেমন বিটিসি। এসিকের কারনে বিটিসি মাইনিং এখন প্রায় সেন্ট্রালাইজড। লাভের কথা এখানে বলা সম্ভব না । লাভ টা অনেক কিছুর উপর ডিপেন্ড করে।

৮. আমাদের দেশে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় মাইনিং এ সমস্যা হয় কি? কিভাবে সে সমস্যার সমাধান করছেন?
Mr x
: “নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকা” হ্যাঁ এটা একটা বড় সমস্যা মাইনিং করার জন্য বিশেষ করে GPU+CPU মাইনিং এর জন্য কারণ আপনাকে বারবার আপনার পিসি,/ device রান করাতে হবে এবং মাইনিং সফটওয়ারটি ঠিকমত কাজ করছে কিনা চেক করতে হবে। সাময়িক বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য আমি আইপিএস ব্যবহার করে থাকি।
Mr y: নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ কোন সমস্যা নয় । যতক্ষন বিদ্যুৎ নাই আপনার বিল এর চাকাও বন্ধ। সব ডিভাইস রিস্টোর অন পাওয়ার লস চালু করে দিলে সব ডিভাইস বিদ্যুৎ আসলে নিজেই মাইনিং স্টার্ট করে। কিছু সময় বুট ফেইল হতে পারে। সেক্ষেত্রে মেনুয়ালি আবার রিবুট করা লাগতে পারে। সব মাইনারদের শেষ টার্গেট হচ্ছে রিনিউএবল এনার্জি। যেমন সোলার,উইন্ডমিল,জল বিদ্যুৎ। যত বড় ফার্ম আছে সবাই অন্তত ৫০%-১০০% রিনিউএবল ক্লিন এনার্জি ব্যবহার করে তাই ওদের পাওয়ার আউটেজ নিয়ে চিন্তা করে লাগে না।

৯. মাইনিং এর জন্য আপনি কোন ধরনের ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন এবং সেটার গতি কত মেগাবাইট?
Mr x
: মাইনিং করার জন্য সবসময়ই উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রয়োজন। আমি ৫০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি।
Mr y: ইন্টারনেট স্পিড কোন ফ্যাক্টরনা 1 GH/s এর জন্য (০.৫)এম্বিপিএস ই যথেষ্ট ।https://imgur.com/Fjm44jL/embed?ref=https%3A%2F%2Fwww.coinalap.com%2F%25e0%25a6%25ae%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%2587%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%2582-%25e0%25a6%2595%25e0%25a6%25bf-%25e0%25a6%25ac%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%259f%25e0%25a6%2595%25e0%25a7%259f%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%25a8-%25e0%25a6%25ae%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%2587%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%2582%2F&w=540১ গিগাহ্যাশে ব্যবহৃত ব্যান্ডউইথের স্ক্রিনশট

সিংগাপুরের পুল গুলোতে পিং টাই প্রধান শেয়ার এস্কেপ্ট টাইম যত কম হবে তত ভাল।
কইয়েকটি পুলে শেয়ার এস্কেপ্ট টাইমের স্ক্রিনশট
১। sparkpool https://imgur.com/3WQrpHV (Asia Node)
৩। ethermine.org https://imgur.com/VfzuXXp (Asia Node)
৪।2miners.com https://imgur.com/EUU6XcB (Asia Node)
৫। nanopool.org https://imgur.com/ix42qZD (Asia Node)
৬। binance pool https://imgur.com/BIaOiMl (Usa)
৭।flexpool https://imgur.com/iHbKDtr (Asia Node)

১০. নতুন কেউ মাইনিং শুরু করতে চাইলে সর্বনিন্ম কত টাকা বাজেট লাগবে? ১ লক্ষ টাকা বাজেট দিয়ে কি মাইনিং শুরু করা সম্ভব? যদি সম্ভব হয় তাহলে তার কোন ডিভাইস দিয়ে শুরু করা উচিত এবং কেমন লাভ হতে পারে?
Mr x
: নির্ভর করবে আপনি কোন সিস্টেম এর মাইনিং করতে চান তার উপর। আপনি কি সিপিও মাইনিং করবেন নাকি, জিপিও মাইনিং করবেন, নাকি কোন মাইনিং হার্ডওয়ার কিনবেন? নাকি মাইনার ভাড়া নেবেন? যদি সি পি উ মাইনিং করতে চান হ্যাঁ করতে পারেন এজন্য আপনার খুব বেশি বাজেটের প্রয়োজন নাই আপনি কিছু নির্দিষ্ট ক্রিপ্টো আছে যেগুলো মাইনিং করতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনার প্রফিট এর হার খুব কম তবে ক্ষেত্রবিশেষে আলাদা অনেকটাই জোককয়েন বা ডজকয়েন এর মত বা ETN, Digibyte,Bytecoin ইত্যাদি। এক লক্ষ টাকা কে আমরা ডলারে কনভার্ট করি, যেহেতু মোটামুটি সকল‌ কেনাকাটা সাধারনত ডলার এ হয়ে থাকে

১০০০০০/৮৭ = $১১৫০ (৮৭ টাকা বর্তমান সাধারণ ডলার রেট )
তাহলে এ রেট এর মধ্যে আমাদের কাছে মাইনিং হার্ডওয়ার আছে- Antminer S9i ($2.5 via 14/TH/s chinese version
এখন কথা হচ্ছে গিয়ে ভাই আমি মাইনিং হার্ডওয়ার কিনবোনা আমি জিপিউ মাইনিং করব? হ্যাঁ সেটাও করতে পারেন, তবে সে ক্ষেত্রে আপনার সাধ্যমত জিপিউ মাইনিং রিগ তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ডিভাইসের মাইনিং পারফরম্যান্স ক্যালকুলেশন করে নিবেন এবং সঠিক পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করবেন ও কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করবেন।

Mr y: মাইনিং প্রফিটাবিলিটি অনেক কিছুর উপর ডিপেন্ড করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here