বিটকয়েনে বিনিয়োগে আগ্রহী?দেখে নিন IMF-এর সতর্কবার্তা

0
88

পুরো বিশ্বের অর্থনীতিতে বিটকয়েন (Bitcoin) হল এক নতুন ধামাকা। বাংলাদেশেও মুদ্রার এই ডিজিটাল সংস্করণের প্রচলন বেড়ে চলেছে। প্রায় সকলেরই এই ক্রিপ্টোকারেন্সির (Cryptocurrency) দিকে ঝোঁক দিন দিন বাড়ছে। ২০২১-এর গ্লোবাল ক্রিপ্টো ইনডেক্স (Global Crypto Index)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত পুরো বিশ্বে এখন ২ নম্বরে রয়েছে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের দিক থেকে। সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক (Central Bank) অনেক আগেই এই সম্বন্ধে সতর্কতা জারি করেছে। এর ফলে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে এবং কী কী বিপদ লুকিয়ে আছে এর পিছনে তার বর্ণনা ইতিমধ্যেই তারা দিয়েছে।

বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড (International Monetary Fund) বা IMF এই ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারের ফলে লোকাল অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এটি ফিসকাল পলিসির (Fiscal Policy) ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারের ফলে ডিজিটাল অ্যাসেটের (Digital Asset) পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকবে, যা দেশের কর (Tax) ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ক্রিপ্টোকারেন্সির (Cryptocurrency) জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণ

আগের বছর থেকেই বিশ্বের নানা দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে শুরু করে বিটকয়েন। ভারত, পাকিস্তান এবং ভিয়েতনামের মতো দেশে খুব কম সময়েই এর ব্যবহার অনেকটা বেড়েছে। এর অন্যতম কারণ হল অল্প সময়েই এই বিটকয়েনের মাধ্যমে বেশি লাভ করার আশা। এর ফলে এখন ইনভেস্টরদেরও প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে এই বিটকয়েন। এছাড়াও এক দেশ থেকে আরেক দেশে খুব সহজেই কম খরচে টাকা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এই ক্রিপ্টোকারেন্সি। এর ফলে অতি সহজেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে টাকা পাঠানো যায়, তাও আবার খুবই কম খরচে। ভারতে বিদেশি মুদ্রা বদলানোর জন্য দুর্বল ব্যাঙ্কিং পরিকাঠামোও এর জন্য অনেকটা দায়ী। এছাড়াও ডলারকে ভারতীয় মুদ্রায় বদলানোর ক্ষেত্রেও নানা ধরনের সমস্যা দেখা যায়। এর ফলে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সির (Cryptocurrency) প্রচলন

সেপ্টেম্বর মাসে ইএল সাল্ভাডোর প্রথম বিটকয়েনকে অনুমোদন দেয়। এরাই বিশ্বের প্রথম দেশ যারা বিটকয়েনকে আইনিভাবে অনুমোদন দেয়।

ক্রিপ্টোকারেন্সির অল্টারনেটিভ

ডিজিটাল টোকেন এবং স্টেবেলকয়েনের মাধ্যমেও এই ক্রিপ্টোকারেন্সি সেভিং করা যায়।

সরকারের করণীয়

ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার কমাতে গেলে ভারতে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ককে নিজস্ব ডিজিটাল কারেন্সির প্রচলন করতে হবে। এছাড়াও ম্যাক্রো ইকোনোমিক পলিসির উন্নতি করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here