শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার পূর্বে যেগুলা জানতে হবে

0
116

শেয়ার বাজার কি?

কোম্পানি মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তার উদ্দিষ্ট প্রাথমিক মূলধনকে কতগুলো ছোট অংশে ভাগ করে সাধারন জনগনের কাছে বিক্রি করে দেয়, এই ছোট অংশগুলোকে এক একটি শেয়ার বলে। যেখানে এই শেয়ার কেনা বেচা হয় তাকে শেয়ার বাজার বলে। আমাদের দেশে শুধুমাত্র ঢাকা এবং চট্রগ্রামে এই শেয়ার বাজার আছে।

যে ধরনের পণ্য শেয়ার বাজারে ক্রয় বিক্রয় করা হয়ঃ

প্রাপ্ত বয়স্ক যে কেউই শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত টিপসগুলো অনুসরন করলে নিজের কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদ থাকবে-

১। প্রথমেই যে কোন ব্যাংক-এ একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে।

২। সেই ব্যাংক হিসাবের বিপরিতে (সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অফ বাংলাদেশ লিমিটেড)- এর অধীনে বিও একাউন্ট খুলতে হবে। যেকোনো ব্রোকার হাউস থেকেই বিও একাউন্ট খোলা যায়। শেয়ারের ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো ব্রোকার হাউসের বিকল্প নেই। বিও একাউন্ট খোলা হওয়া মাত্র আপনি শেয়ার কিনতে পারবেন।

শেয়ার বাজার বিষয়ে শিক্ষাঃ

যখনি আপনি একজন শেয়ার ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তখন শেয়ার ব্যবসা বা শেয়ার বাজার সর্ম্পকে যথেষ্ঠ শিক্ষা নেয়াটা জরুরী। নিজেকে যুদ্ধক্ষেত্রে টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত রসদ নিয়ে মাঠে নামা ভালো। জানতে হবে এটির আদ্যোপান্ত, মার্কেট এর সকল ফ্যাক্টর এবং নিজেকে আপটুডেট রাখতে হবে সবসময়- বিশেষ করে দেশের অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সবসময় সজাগ থাকতে হবে। প্রথমেই মনে রাখবেন, শেয়ার ব্যবসা কোন জুয়া খেলা নয়।

এখানে ব্যবসার কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। রয়েছে কিছু সুনির্দিষ্ট গানিতিক হিসাব। আপনি যদি বাণিজ্য বিভাগে পড়ালেখা করে থাকেন তবে ব্যাপারগুলো বুঝতে আপনার খুবই সুবিধা হবে। আর তা না হলেও খুব একটা সমস্যা নেই। শেয়ার বাজারের উপর অনেক বই-পত্র এখন পাওয়া যায়। এগুলো পড়ুন, বোঝার চেষ্টা করুন।

শেয়ার বাজার এর আপডেট জানতে সবসময় সজাগ থাকুনঃ

বাজার সম্পর্কে সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখুন। পত্রিকার পাতা, অনলাইন বা শেয়ার বাজারের সাথে জড়িত কারো সাথে সবসময় যোগাযোগ অব্যাহত রাখুন। মার্কেটের গতিবিধি বুঝার চেষ্টা করুন।

কিছুদিন পড়াশুনার পর যদি দেখেন বুঝতে সমস্যা হচ্ছে তবে সিকিউরিটি এক্সচেন্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেন্জ এর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ গ্রহণ করতে পারেন।

এই গুলির খরচ অনেক কম। নিঃসন্দেহে উপকার পাবেন। তাছাড়া অনেক এক্সপার্ট আছেন বাংলাদেশে, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে অনেক ফি দিয়ে কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রয়োজন নেই। তাছাড়া শেয়ার বাজারের এ টু জেড এনালাইসিসের টিউটোরিয়াল ভিডিও নিয়ে ঘরে বসে নিজে নিজেই শিখতে পারেন।

শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ করার আগে সঠিক কৌশল গ্রহণ করুনঃ

এবার ভাল একটি স্ট্রাটেজি তৈরি করে সেটাকে ধরে নিজে নিজে সাইলেন্ট ট্রেড করুন। তার মানে আজকে একটা শেয়ার আপনার স্ট্রাটেজি অনুযায়ী কি হওয়া উচিৎ তা চিন্তা করুন এবং তার ফলাফল পরিমাপ করুন। তেমনি স্ট্রাটেজি টেষ্ট এর সময়ই আপনাকে ট্রেড ম্যানেজমেন্ট শিখতে হবে । রিস্ক–রিওয়ার্ড জানতে হবে। কখনো লোকসানে চলে গেলে কি করবেন সেসব বুঝতে হবে।

টেকনিক্যাল আর ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করে ট্রেড নিতে হবে। অনেক সময় আপনার স্ট্রাটেজিতে ট্রেড নেবার সময় আসলেও মার্কেট এনালাইসিস করে দেখতে পাবেন আপনার স্ট্রাটেজিতে এখন ট্রেড নেয়াটা রিস্কি হয়ে যাচ্ছে তখন ট্রেড থেকে বিরত থাকতে হবে।

অথবা ট্রেড দিয়ে ফেললেও সেটাকে ম্যানেজিং করতে হবে। একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অন্য কাউকে দেখে শেয়ার কেনাবেচা করবেন না। প্রত্যেকের পোর্টফোলিও ভিন্ন হয়। কোন একজন যে কারণে শেয়ার কিনছেন বা বিক্রি করছেন তা হয়তো আপনার কারণের সাথে মিলবে না।

শেয়ার বাজারের খুঁটিনাটি সব বিষয়ে ধারনা রাখা জরুরীঃ

শেয়ার বাবসার খুঁটিনাটি সকল বিষয়ই বোঝার চেষ্টা করুণ। নগদ টাকা দিয়ে ব্যবসা করবেন আর কিছু বুঝতে চাইবেন না, এর চাইতে আহম্মকি আর কি হতে পারে? বোঝার সবচেয়ে সহজ পথ হলো প্রতিনিয়ত আপডেট থাকা। চোখ কান খুলা রাখা। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের প্রথম দিকে এই সম্পর্কিত লেখা লেখিতে, পত্র পত্রিকাতে প্রচুর সময় দিন। সব সময় ডিএসই এর এবং ট্রেডিং সম্পর্কিত আরও অনেক ওয়েবসাইটে নজর রাখুন এবং সমস্ত ইনফরমেশন এ চোখ বুলান।

প্রথম দিকে এটা খুব কঠিন মনে হতে পারে, অনেক ঝামেলার মনে হতে পারে। কিন্তু বছরখানেক গেলেই দেখবেন আর অত সময় দিতে হবে না, অল্পতেই বুঝতে পারবেন।

টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে ভাল শেয়ার কেনার কৌশলঃ

টেকনিক্যাল এনালাইসিস (Technical Analysis): টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে ভাল শেয়ার কেনার কৌশল জানা খুবই জরুরি। টেকনিক্যাল এনালাইসিস বলতে মূলত একটি শেয়ারের প্রাইজের বা দামের পরিবর্তন (Price Movement) এবং গতিপ্রকৃতি লক্ষ্য করে ভবিষ্যতে একটি শেয়ারটির মূল্য কেমন হতে পারে সেই বিষয়টি অনুমান বা ধারনা করা। একজন টেকনিক্যাল এনালিস্ট সাধারণত চার্ট ব্যাবহার করে একটি বাজারের দামের পরিবর্তন (Price Movement) বোঝার চেষ্টা করে থাকেন । এই চারটের মাধ্যমে আসলে আমরা বিভিন্ন ধরনের প্যাটার্ন (Pattern) এবং ট্রেন্ড (Trend) বুঝতে পারি যা আমাদের বিনিয়োগের অপরচুনিটি গুলো আরও বাড়িয়ে দেয় ।  কিভাবে টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে ভালো শেয়ার কিনবেন?

এক কথায় বলা যায় টেকনিক্যাল এনালাইসিসে মুল্যের (Price) গতিবিধি পর্যবেক্ষ্ণণ করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত দেয়া । সুতরাং বলা যায় টেকনিক্যাল এনালাইসিস মানে চার্ট এনালাইসিস। আধুনিক Technical analysis এর  জনক চার্লস ডাউ। প্রায় ১৯০০ সালে চার্লস ডাউ এই  টেকনিক্যাল এনালাইসিস থিওরির সুত্রপাত করেন যাকে  Dow Theory হিসেবে নামকরন করা হয়ে থাকে। এখন পর্যন্ত সেই থিওরিই বিশ্ব জুড়ে ব্যাবহার করা হয় টেকনিক্যাল এনালাইসিসে । ডাউ জোন্স এর Industrial Average পৃথিবী জুড়ে সমাদৃত যা এই ডাউ থিওরি থেকেই এসেছে।

শেয়ার বাজারে লাভ করার উপায়ঃ

কীভাবে শেয়ার ব্যবসা থেকে লাভ করা যায়? প্রশ্নটি আমাদের অনেকের মাঝেই রয়েছে। আমরা সবাই শেয়ার বাজারে লাভ করতে আসি কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমরা সবাই লাভ করতে পারি না। কারণ আমরা না বুঝে, না জেনেই শেয়ার কিনে ফেলি। এটাই শেয়ার বাজারে লাভ না হওয়ার মুল কারণ।  শেয়ার কিনে ভালো পরিমাণ লাভ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই উপরে বলা কথা গুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে। এছাড়াও কোম্পানির প্রোফাইল কেমন, কোম্পানির বর্তমান অবস্থা কী, সামনে কী আরো ভাল হবে নাকি খারাপের দিকে যাবে? এজন্য একাধিক কোম্পানির শেয়ার যাচাই করে কেনা উচিৎ।একটিতে লোকসান হলেও, অপরটিতে আপনি লাভবান হতে পারেন।

শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুনঃ

দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগ করলে ভাল মৌল ভিত্তিক এমন কোম্পানীতে বিনিয়োগ করুন যে কোম্পানীর পণ্যের সবার কাছে চাহিদা থাকলেও বর্তমানে আর্থিক অবস্থা ভাল না থাকায় শেয়ারের দর তলানীতে পড়ে আছে কিন্তু পণ্যের চাহিদার কারনে ভবিষ্যতে কোম্পানীটির উৎপাদন আরো বৃদ্বি পেতে পারে এমন সম্ভাবনা ময় আইটেমে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।তবে এমন আইটেম সিলেক্টের ক্ষেত্রে কোম্পানীর শেয়ার সংখ্যার প্রতি খেয়াল করতে হবে।কারন শেয়ার যত কম হবে ভবিষ্যতে চাহিদা ততই বাড়বে।

আর ডে ট্রেডিং করলে টেকনিক্যাল চার্ট এনালাইসিসের বিকল্প নেই।চার্টে যত দক্ষ হবেন ডে ট্রেডিংয়ে ততই সফল হবেন। 

ভাল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার ক্রয় করুণ। যদিও এটা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক আছে। কারণ বিগত ৫/৭ বছরে দেখা গেছে ভাল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন শেয়ারের চাইতে আজে বাজে শেয়ার, এমনকি কোম্পানীর অস্তিত্ব নেই, কোন লভ্যাংশ দেয়না, এমন সব শেয়ারের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে।

ফান্ডামেন্টাল শেয়ার কি?

আমি ক্লসে ঢুকেই এই জাতীয় প্রশ্ন শুনে একটু অবাক হলাম। পরে বুঝতে পারলাম সারাদিন রেডিও, টেলিভিশনে ফান্ডামেন্টাল শেয়ার এর নাম শুনতে শুনতে হয়তো তার এই আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবং শুধুমাত্র এটা শেখার জন্যই আজকে এসেছেন। প্রশ্নের উত্তরে আমি উনাকে বললাম আপনার প্রশ্নের মধ্যই আপনার উত্তর লুকিয়ে আছে। উনি বুজতে পারলেন না। আমি বললাম, ফান্ডামেন্টাল শব্দটা আস্তে আস্তে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলেন উত্তর পেয়ে জাবেন।

উনি বললেন ফান্ডা-মেন্টাল, আমি বললাম আরও আস্তে বলেন, তারপর বললেন ফান-ডা- মেন্টাল।হা! এটাই সঠিক উত্তর! তার মানে হল যে শেয়ারে ফান্ড দিয়ে বা ফান্ড ইনভেস্ট করে আপনি মেন্টাল হয়ে জাবেন তাকেই ফান্ডামেন্টাল শেয়ার বলে।

এ প্রসঙ্গেও বলা যায়, এগুলি বাড়ার পেছনে বিনিয়োগকারীদের অজ্ঞতাই দায়ী। তাই আজেবাজে শেয়ার না কিনে ভাল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার কিনুন। তাহলে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় পথে বসবেন না বরং খুব ভাল লাভই পাবেন। ভাগ্যের উপর নির্ভর করা থেকে শেয়ার বাবসার এর ভিবিন্ন দিক নিয়ে শিক্ষা গ্রহন ও এনালাইসিস আপনাকে আরও ভালো এবং Consistent প্রফিট পেতে সহায়তা করবে। ইমশন কন্ট্রোল করতে শিখুন । নিজেকে কখনই ইমশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে দিবেন না।

ধার করা টাকা দিয়ে কখনও শেয়ার বাজার এ আসবেন নাঃ

শেয়ার বাজার কি তা আশা করি বুঝতে পেরেছেন। তাই অন্যের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে কখনোই শেয়ার ব্যবসায় নামবেন না। মনে রাখবেন এই ব্যবসা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনিশ্চিত। আমি মনে করি, যে টাকা হারিয়ে গেলে, চলে গেলে বা নষ্ট হলে আপনার কষ্ট লাগবে না সেই টাকাই শেয়ার ব্যবসায় এ ইনভেস্ট করা উচিৎ। বাপের জনি বেছে, মায়ের গহনা বেচে, কষ্টের জমানো টাকা শেয়ার ব্যবসায় বা শেয়ার বাজার এ ইনভেস্ট করা কখন ই উচিৎ নয়। এখানে যেমন প্রতি তিন দিনে লাভের সম্ভাবনা আছে, তেমনই প্রচুর ঝুঁকিও রয়েছে।

তাই ব্যাংক লোন নিয়ে, জমি বিক্রি করে, অন্যের থেকে টাকা ধার করে, অলংকার বা ফ্ল্যাট বন্ধক রেখে কখনোই শেয়ার ব্যবসায় নামবেন না।

শেয়ার বাজারের সবকিছুর রেকর্ড রাখুনঃ

প্রতিদিনের লাভ লোকসান সবসময় ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করে রাখুন। কেন লাভ হলো কেন লোকসান হলো তাও লিখে রাখুন। তাহলে আপনার লোকসান বা লাভের কারণগুলার রেকর্ড থাকবে। আর সব সময় সব জান্তা লোকজন থেকে দূরে থাকুন।

শেয়ার মার্কেটে এমন অনেক লোক দেখা যায়, যারা প্রচুর আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথা বলে। প্রকৃত অর্থে তারা ৩/৪ বছর ব্যবসা করেও তেমন কিছু লাভ করতে পারে না। যারা গেম্বলার তাদের জন্য উপযুক্ত স্থান হল কাসিনো (CASINO)।

আর শেয়ার ব্যবসায় হল তাদের জন্য যারা ইনভেস্টমেন্ট এ আগ্রহী এবং তা থেকে ছোট পরিমাণ লাভ পেয়েই খুশি হবে। সুতরাং এই ধরণের লোকজন থেকে কম করে হলেও ১০০ হাত দূরে থাকুন।

শেয়ার বাজারে ভালো ব্রোকারের কোন বিকল্প নেইঃ

একটা ভালো ব্রোকার এ ট্রেড করুন। নিজের স্ত্রেটেজির জন্য উপযুক্ত একটি ব্রোকার নির্বাচন করুন। বিশ্বস্ত এবং বড় সিকিউরিটি হাউজ বা বড় বিশ্বস্ত ব্যাংকে বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্ট বা বিও খুলতে পারেন। এখানে ভাল সুযোগ-সুবিধা আশা করা যায় এবং ব্যবহারও নিঃসন্দেহে ভাল পাবেন।

ফোনে ট্রেড করা, অনলাইন ট্রেডিং করা সহ আপনার জমা ও উত্তলনের সময় ও অনেক গুরুত্বপূর্ন। ভালো ব্রোকারের আর একটা বড় সুবিধা হল কোন দূর্ঘটনা ঘটলে আশা করা যায় যে তারা আপনার টাকা মেরে খাবে না। আর হ্যা, নমিনি করতে কখনোই ভুল করবেন না। কারন মানুষের জীবন মৃত্যুর কথা কিছু বলা তো যায় না! 

গুজবে কান দিবেন নাঃ

বাজারের কোন গুজবে কান দিবেন না। শেয়ার বাজার যখন ভাল থাকে তখন প্রচুর গুজব শুনা যায়। আমার পরামর্শ হলো গুজবে কান না দিয়ে খুবই ছোট আকারে শুরু করুন। আস্তে আস্তে প্রফিট করুন। খুব কম প্রফিট টার্গেট হলে রিস্কটাও খুব কম হয়। ওমুক কোম্পানী ১:৩ রাইট শেয়ার দিবে, তমুক কোম্পানী ৩০০% বোনাস দিবে, আর এক কোম্পানী ৬০০% ক্যাশ দিবে এ জাতীয় গুজবে কান দিবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here