আইপিও কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে যাচাইয়ের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত

0
108

অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া অনেক কোম্পানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ার বরাদ্দ দিয়ে থাকে। যেসকল কোম্পানি তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ার বরাদ্দ দিবে সেকল কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য ও বিও অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিএসইসি থেকে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে আইপিও কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবেদন প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান সকলের তালিকা ইলেকট্রনিক ( টেক্স ফরমেটে আলাদ শিরোনামভেদে) ফরমেটে আপলোড করতে হবে। যেখানে গ্রাহক আইডি, নাম (বিও আইডি অনুসারে), বিও আইডি, মোট অর্থের পরিমাণ, মোট শেয়ারের পরিমাণ, কর্মী শ্রেণীবিভাগ রয়েছে। সেই সাথে জাতীয় পরিচয়পত্র, কর্মচারী আইডি, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং পদবীও থাকবে।

সিদ্ধান্তে আরো রয়েছে, আইপিও কোম্পানির বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবেদন স্টকব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে (যেখানে আবেদনকারীর বিও অ্যাকাউন্ট চালু থাকবে) এক্সচেঞ্জের ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমে জমা দিতে হবে। ইএসএস এ নিবন্ধিত স্টকব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকার কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা ইলেকট্রনিক (টেক্স ফরমেটে শ্রেনীভেদে) ফরমেটে আপলোড করবে।

অপরদিকে এক্সচেঞ্জগুলো কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবেদন (নাম, বিও আইডি, পরিমাণ, একই রকম কোনো বিষয়, ইত্যাদি) যাচাই করবে এবং বৈধ বিও আইডিগুলো ইলেকট্রনিক (টেক্সট) ফরমেটে যাচাইকরণের জন্য সিডিবিএলে পাঠাবে। সিডিবিএল বিও আইডিগুলোকে যাচাই করবে যে আবেদনকারীদের বিও অ্যাকাউন্ট সক্রিয় আছে কিনা না।

এবং সিডিবিএল এক্সচেঞ্জকে আবেদনকারীদের একটি আপডেটেড ডাটাবেস প্রদান করবে। যাতে বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর, নাম, ঠিকানা, পিতা-মাতার নাম এবং জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাইকরণের রিপোর্ট থাকবে।

যাচাই শেষে কোম্পানির বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যাদের আবেদন বৈধ এবং সক্রিয় তাদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণ অনুযায়ী শেয়ার প্রদান করা হবে।

ক্যাপিটাল ইস্যু বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ক্যাপিটাল ইস্যু বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা এম. সাইফুর রহমান মজুমদার শেয়ারবাজার নিউজকে বলেন, আইপিও কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী কোটায় শেয়ার বরাদ্দ দিতে যাচাইয়ের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে দুটি প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে একটি হচ্ছে কোম্পানি নিজে তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিও হিসাব ও ব্যক্তিগত তথ্য একাউন্ট পরিচালনায় ব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে এক্সচেঞ্জে জমা দিবে। অপরটি হচ্ছে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজে এক্সচেঞ্জ সিস্টেমে জমা দিতে পারবে। সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিএসইসির নেয়া সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত এখনো আমাদের কাছে আসেনি। বিএসইসি যে নিয়মে তথ্য যাচাইয়ের জন্য নির্দেশ দিবে সেভাবে আমরা কাজ করবো। বিএসইসির সিদ্ধান্তের পর আইপিওতে যে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কোটা থাকবে তাদেরকে দিয়েই এ নিয়ম অনুযায়ী শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here