পুঁজিবাজার নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান

0
235

পুঁজিবাজার নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম। তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। শনিবার (২৬ জুন) তিনি সানবিডির মাধ্যমে এ আহ্বান জানান।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু অর্থ বছর শেষ, তাই কর সংগ্রহের বিষয় আছে। অন্যদিকে অনেক কোম্পানির জুন ক্লোজিং, তাই অর্থিক প্রতিবেদন তৈরি,রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠানে তা জমা দিতে হবে। সব মিলিয়ে ব্যাংক খোলা থাকবে বলে আমার মনে হয়। আর ব্যাংক খোলা থাকলে পুঁজিবাজারও খোলা থাকবে। তাই আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

এর আগে গতকাল বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, চাইলেও এখন সবকিছু বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। যেমন মানুষের প্রয়োজনে ব্যাংকের লেনদেন সীমিত আকারে হলেও চালু রাখতে হবে। ব্যাংকের লেনদেন চললে আগের মতো পুঁজিবাজারেও লেনদেন সীমিত আকারে চলবে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হতে বিনিয়োগকারীদের অনুরোধও জানান তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি সায়েদুর রহমান সানবিডিকে বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু দেখিনা। কারণ অর্থ বছর শেষ। ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর সংগ্রহের বিষয় আছে। অন্যদিকে পোশাক শিল্প খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি। তাই স্বাভাবিক কারণেই ব্যাংক খোলা থাকবে।

তিনি বলেন,আমরা দেখেছি অতীতে ব্যাংকের সাথে পুঁজিবাজারও খোলা ছিলো। অন্যদিকে করোনার মধ্যে সারা বিশ্বের পুঁজিবাজার খোলা ছিলো এবং ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশেও তাই দেখা গেছে। আগামী দিনেও এই ধারাবাহিকতা ঠিক থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

এদিকে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, ঘোষিত এ লকডাউনে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। তবে কারখানা পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত এবং বিজিএমইএ কর্তৃক প্রদত্ত সকল স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার (২৮ জুন) থেকে সারাদেশে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। শুক্রবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লকডাউন চলাকালে জরুরি সেবা ব্যতীত সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে কেউ বের হতে পারবে না। তবে গণমাধ্যম এর আওতামুক্ত থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here