পুঁজিবাজারের ১১ কোম্পানিতে বিদেশিদের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ

0
560

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১১টি কোম্পানিতে ১০ শতাংশের বেশি বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে। এই ১১টি কোম্পানির মধ্যে বিদেশিদের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকে। প্রতিষ্ঠানটিতে বিদেশিদের মালিকানা রয়েছে ২৯ শতাংশের বেশি। সর্বনিন্ম শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজে ১৩.০৭ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

আমরানেট: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৫.৯৮ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৩.০৪ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৩.৭৫ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.২৩ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ৩ টাকা ১৯ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৬ টাকা ৭০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ২২.৮৯।

ব্র্যাক ব্যাংক: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ৩৭.৮৮ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৬.২৪ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১০.২৬ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫.৬২ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫৭ টাকা ৪০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫।

বিএসআরএম লিমিটেড: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৭.৪৯ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৬.৩৫ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৩.৬০ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২২.৫৬ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৮ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ৩ টাকা ৯০ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ১ টাকা ৪২ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০৫ টাকা ৪০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ৬.১৪।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ৭ টাকা ৮৮ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ২ টাকা ৪১ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৯৪ টাকা ৪০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৪.৮২।

ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৯.৩৩ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫১.৩২ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮.১৪ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১১.২১ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭৭ টাকায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ১২.৬১।

ইসলামি ব্যাংক: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ২০.১৯ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫১.৩২ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.৪২ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৩.০৭ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ২ টাকা ৩০ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩২ টাকায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ৮.৯৯।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ২৮.৩৫ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৭.৩৪ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.০২ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.২৯ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫৪ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১০ টাকা ১৯ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ১০ টাকা ১৩ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ০৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ২ টাকা ৮৫ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৬৪ টাকা ৯০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ২০.০১।

রেনাটা বাংলাদেশ: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ২২.৭৭ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫১.২৭ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০.৭২ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫.২৪ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৪৫ শতাংশ ক্যাশ এবং ১০ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫১ টাকা ৯৪ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ৪১ টাকা ১৭ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৪ টাকা ১৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ১২ টাকা ৭০ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩০৮ টাকায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ২৩.০৮।

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৩.০৭ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫১.৪৮ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.৭০ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.৭৫ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২.৫ শতাংশ ক্যাশ এবং ২.৫ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ০৩ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান ছিলো ১৩ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান ছিলো ২৮ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৬ টাকা ৬০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ২২.১৭।

স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৪.১৫ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৪.৫৭ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৪.২৬ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৭.০২ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৭ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ১৫ টাকা ০৭ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ৩ টাকা ৩০ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২২০ টাকা ৮০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৭৯।

ভিএফএস থ্রেড: কোম্পানিটিতে বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৬.৬৮ শতাংশ। স্পন্সর পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩০.৮৮ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৯.০৫ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৩.৩৯ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৫০ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ১ টাকা ৪৫ পয়সা।

সর্বশেষ প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ৩৮ পয়সা।

সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২১ টাকা ৬০ পয়সায়। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী কোম্পানিটির পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৩.৫০।

ট্রেডার বাংলাদেশ, ১৬ জানুয়ারি, ২০২২

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here