শেয়ারবাজারে চলতি মাসেই চালু হবে এটিবি

0
232
HTML tutorial

চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই শেয়ারবাজারের অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) চালু করা হবে। এজন্য সবধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এর মাধ্যমে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোও শেয়ারবাজারের এটিবিতে লিস্টেড হয়ে লেনদেনের সুযোগ পাবে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) ডিএসই প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এটিবি মার্কেট চালুর জন্য আমরা এক বছর আগে থেকেই পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েছি। এটিবির রেগুলেশন গেজেট আকারে প্রকাশ হলেই এই মার্কেট চালুর দিন তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এই মাসের চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, শেয়ারবাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) গত আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে ‘এটিবি প্লাটফরম রেগুলেশন’ অনুমোদন দেয়। যা এখন গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

এটিবিতে প্রাথমিক অবস্থায় মূলত ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি মার্কেটে থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হবে। এজন্য গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর ১৮টি কোম্পানিকে ওটিসি থেকে এটিবিতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় বিএসইসি।

গতবছরেই এটিবি মার্কেট নিয়ে রুলস প্রণয়ন করে বিএসইসি। কিন্তু মার্কেটটি কীভাবে পরিচালিত হবে, সেই রেগুলেশন পাশের বিষয়টি একবছর ধরে ঝুলে ছিল। এটিবিতে লেনদেন হবে ওটিসিতে থাকা কোম্পানির একটি বড় অংশ। এ ছাড়া বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড, বিভিন্ন ধরনের বন্ড এবং তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ারও এই প্লাটফরমে লেনদেন হবে।

২০২১ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর এক নির্দেশনায় ওটিসি মার্কেট বাতিল করে বিএসইসি। ওটিসিতে থাকা ২৩টি কোম্পানিকে এসএমই বোর্ডে, ১৮টি কোম্পানিকে এটিবি বোর্ডে এবং ২৯টি কোম্পানিকে এক্সিট প্ল্যানের মাধ্যমে বাজার থেকে বের হয়ে যাওয়া সুযোগ দেয় বিএসইসি। ইতোমধ্যে ওটিসিতে থাকা ৬টি কোম্পানি এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত হয়েছে। আর এটিবি বোর্ডে তালিকাভুক্তির জন্য অপেক্ষায় আছে ১৮টির অধিক কোম্পানি।

মূলত কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও সম্ভাবনা যাচাই করে প্রাথমিকভাবে এ তালিকা তৈরি করে বিএসইসি। আর যেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা শেয়ারবাজারে আর থাকতে চায় না, তারা বাজার থেকে বের হয়ে যেতে পারবে। সেক্ষেত্রে এক্সিট প্ল্যান আদেশ প্রযোজ্য হবে, যা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) একটি সূত্র জানিয়েছে আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে এর গেজেট হতে পারে।

ডিএসই’র সাবেক সহ সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী গণমাধ্যমকে জানান, যেসব কোম্পানির পেড আপ নেই বা ছোট, তাদের জন্যই এই বোর্ড করা হয়েছে। এই বোর্ডের মাধ্যমে ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কোম্পানিও এটিবি’তে লিস্টিং হয়ে বাণিজ্য করতে পারবে।

ট্রেডার বাংলাদেশ, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

HTML tutorial

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here